“দিয়েছি” বলল, টাকা কম
রাইডারের ডেলিভারি ততক্ষণ “গোনা বাকি”, যতক্ষণ না সন্ধ্যায় হাবে টাকা গোনা হয়। কম পড়লে সাথে সাথে সেই রাইডারের নামে লেখা হয় — তর্ক লাগে না।
মার্চেন্ট বুকিং, হাবে স্ক্যান, রাইডারের অ্যাপ, সন্ধ্যার টাকা গোনা আর মার্চেন্টকে পেমেন্ট — এক সফটওয়্যারে, পুরোটা বাংলায়। খাতা, এক্সেল আর WhatsApp-এর হিসাব আর মেলাতে হবে না।
লগইন ছাড়াই এক চাপে ডেমো খোলে। ডেমোর সব নাম-নম্বর বানানো।
রাইডারের ডেলিভারি ততক্ষণ “গোনা বাকি”, যতক্ষণ না সন্ধ্যায় হাবে টাকা গোনা হয়। কম পড়লে সাথে সাথে সেই রাইডারের নামে লেখা হয় — তর্ক লাগে না।
অ্যাপ থেকে কল না করে রাইডার “দেওয়া যায়নি” চাপতেই পারে না। কাস্টমারও SMS পান, ভুল হলে হাবে ফোন করেন।
মার্চেন্ট থেকে রাইডার, হাব, আবার রাইডার — প্রতিটা হাতবদলে স্ক্যান। ২৪ ঘণ্টা কেউ না ছুঁলে পার্সেল সকালের তালিকায় লাল হয়ে ওঠে।
বিকাশ/ব্যাংকের TrxID না দিলে পেমেন্ট “পাঠানো” হয় না। মার্চেন্ট প্রতিটা পার্সেলের হিসাব দেখেন — ডেলিভারি চার্জ, COD চার্জ, ফেরত চার্জ, হাতে কত।
ফেরতের ব্যাচ মার্চেন্ট গুনে কোড না দেওয়া পর্যন্ত দায় কুরিয়ারের। স্লিপ প্রিন্ট হয়, তারিখসহ।
রাইডারের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নেট ছাড়াও চলে। নেট এলে সব কাজ একবারই যায় — দুবার গোনা হয় না।
৫ থেকে ৬০ রাইডার, ১ থেকে ৫টা হাব, দিনে ৫০ থেকে ২,০০০ পার্সেল। জেলা শহরের লোকাল কুরিয়ার, বা ঢাকার নতুন কুরিয়ার — যারা এখনো খাতা আর এক্সেলে চালাচ্ছেন।
একটা বানানো কুরিয়ার চলছে — বগুড়া সদর হাব, ৫ রাইডার, ৪ মার্চেন্ট, এক সপ্তাহের পার্সেল আর টাকা। যেকোনো ভূমিকায় ঢুকে নিজে চালিয়ে দেখুন।
ডেমোর সব তথ্য বানানো, প্রতি রাতে আবার শুরু থেকে হয়।
আপনার এলাকা, রেট, রাইডার আর মার্চেন্ট বসিয়ে দেব। কয়েকদিন পাশাপাশি চালিয়ে দেখুন, খাতার চেয়ে ভালো লাগলে তবেই থাকবেন।
WhatsApp-এ পাইলটের কথা বলুন